রাত জাগা পাখি, জানি এখন বাইরে পারদ গভীর থেকে আরও গভীরে নেমে চলেছে, তোমার খড়-কুটোর
বাসায় ফুলিয়ে রাখা পালকের গোছা তার তীক্ষ্ণ আঁচড় থেকে সাধ্য মত আড়াল করে রাখতে চাইছে উঁষ্ণ
হৃদয়ের স্পর্শ খানি। ... এখন শীতল-শীতলতর ভুবনডাঙায় টিকে থাকবার জন্য ওই একান্ত ওম্ টুকুই যা
সম্বল। ইন্ধনের অভাবে আগুন জ্বলেনা বহু-বহুকাল। আমাদের মাঝখানে ভঙ্গিল পর্বতের-ই মতো মাথা
তোলে এক তুষার চূড়া... তার নাম অপরিচয়?...অহমিকা? ভালো করে জানা হয় নি আজও! শুধু জানি
আস্তে আস্তে তোমার আর আমার আকাশ খণ্ডিত হয়ে যাচ্ছে ... এখন আমার দীর্ঘশ্বাস তোমাকে ছোঁয় না
আর! নির্মম তুষারে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসে... কিংবা কে জানে হয়তোবা ফিরেও আসেনা আর। হয়তোবা
মানস সরোবরের অগম পারে তোমারও ... ... ... তাদের তো তবু অপেক্ষা ছিল, আমদের জীবন যে বড্ড -
বড্ডই ছোট। তাই যদি ইচ্ছে জাগে তবে একবার, শুধু একটি বার এই সুখের বাসা ছেড়ে , হিম শাসিত
রাত্রির বুকে নেমে দেখ... ধূ ধূ প্রান্তর কেমন ভরে উঠেছে, উপচে পড়ছে আনন্দধারায়... এক বার শীতের
শাণিত নখ- দন্ত কে উপেক্ষা করে অবগাহন করি জোছ্নাধারায়... যুগান্তের শেষে হাতে হাত ধরে সুখমৃত
জীবন ফেলে আবার একবার ডানা ভাসাই দুঃখের দরিয়ায়... আসবে আমার সঙ্গে??? ???
"পাগলী, তোমার সঙ্গে ধুলোবালি কাটাব জীবন..."
উত্তরমুছুনহলুদের উপর নীল
উত্তরমুছুননীলের মধ্যে সাদা
চারচোখোদের কাছে
মস্ত বড় সাজা ।