রবিবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১৩

ডানা ভাসানোর ডাক


রাত জাগা পাখি, জানি এখন বাইরে পারদ গভীর থেকে  আরও গভীরে নেমে চলেছে, তোমার খড়-কুটোর

বাসায় ফুলিয়ে রাখা পালকের গোছা তার তীক্ষ্ণ আঁচড় থেকে সাধ্য মত আড়াল করে রাখতে চাইছে উঁষ্ণ 

হৃদয়ের স্পর্শ খানি। ... এখন শীতল-শীতলতর ভুবনডাঙায় টিকে থাকবার জন্য ওই একান্ত ওম্‌ টুকুই যা

সম্বল। ইন্ধনের অভাবে আগুন জ্বলেনা বহু-বহুকাল। আমাদের মাঝখানে ভঙ্গিল পর্বতের-ই মতো মাথা 

তোলে এক তুষার চূড়া... তার নাম অপরিচয়?...অহমিকা? ভালো করে জানা হয় নি আজও! শুধু জানি 

আস্তে আস্তে তোমার আর আমার আকাশ খণ্ডিত হয়ে যাচ্ছে ... এখন  আমার দীর্ঘশ্বাস তোমাকে ছোঁয় না

আর! নির্মম  তুষারে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসে... কিংবা কে জানে হয়তোবা  ফিরেও আসেনা আর। হয়তোবা

মানস সরোবরের অগম পারে তোমারও ... ... ... তাদের তো তবু অপেক্ষা ছিল, আমদের জীবন যে বড্ড - 

বড্ডই ছোট। তাই যদি ইচ্ছে জাগে তবে একবার, শুধু একটি বার এই সুখের বাসা ছেড়ে , হিম শাসিত 

রাত্রির বুকে নেমে দেখ... ধূ ধূ প্রান্তর কেমন ভরে উঠেছে, উপচে পড়ছে আনন্দধারায়... এক বার শীতের 

শাণিত নখ- দন্ত কে উপেক্ষা করে অবগাহন করি জোছ্‌নাধারায়... যুগান্তের শেষে হাতে হাত ধরে সুখমৃত

জীবন ফেলে আবার একবার ডানা ভাসাই দুঃখের দরিয়ায়... আসবে আমার সঙ্গে??? ???   

শুক্রবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৩

তোমার চিঠির আশায় একা বসে থাকা



এখনো কি জেগে আছ একলা পথিক? চিঠি তোমার পাইনি বহুকাল। পৌষ রাতের হিম বাতাসে 

ক্লান্ত যখন রাতপাহারার হাঁক। তখন গহন রাতের বুকে বাজতো তোমার ডাক... মন কেমনের 

গন্ধে মাখামাখি...  এখনো কি জেগে পথিক??? লিখছ নাকি চিঠি। ঠিকানাহীন চিঠি তোমার, না 

জানি কেমন করে,  জড়িয়ে যেত ছড়িয়ে যেত একলা উঠোন জুড়ে... নিশীথ স্বপ্নে তোমার শব্দ 

আঁকত ভোরের ছবি... ... ... চাঁদ ক্ষয়ে যায়, রাত বয়ে যায়... কোথায় তোমার চিঠি?...  

মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৩

নিঃসঙ্গতা


শীতের পাতার মত একের পর এক দিন ঝরে পড়ে আমার ডানা থেকে ... খেয়াল খাতা জুড়ে ছড়িয়ে 

যায়  উত্তুরে হাওয়ায় ভেসে আসা বাউণ্ডুলে ধুলোর রাশি...  একলা মাঠের কিনারে আমি একা বসে থাকি... 

দেখি... ওপারে কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে নিঃসঙ্গ বৃদ্ধের মতো গভীর আভিমান বুকে স্তিমিত সূর্য  হারিয়ে 

যায় সন্ধ্যার সেতু বেয়ে সর্বগ্রাসী অন্ধকারের দেশে...